Description
“বইটিতে তিনটি গল্প রয়েছে। তিনটি গল্পই ঝড়েশ্বর তান্ত্রিককে নিয়ে। তবে লেখক ঝড়েশ্বরকে ভয়ংকর রূপধারী না বানিয়ে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে দেখিয়েছেন। সে যেন আমার আপনার মতো পাশের বাড়ির মানুষ। বীরাচার, পশ্বাচারের তত্ত্ব কচকচানির বদলে ঝড়েশ্বরকে আশি-নব্বইয়ের দশকের বৈঠকী আড্ডার মেজাজে তুলে ধরেছেন লেখক। ভয়ংকর তান্ত্রিক কার্যকলাপের পরিবর্তে ঝড়েশ্বরের ক্রিয়াকলাপ অনেক শাস্ত্রীয়।
ঝড়েশ্বর আর দধীচির হাড়: রাজসিংহপুর গ্রাম। গ্রামের পুজো চলছে। আচমকা বজ্রপাতের উৎপাত। বিনা মেঘে বজ্রপাতের কারণে মারা যায় গ্রামের মুরুব্বি। পরপর মানুষের মৃত্যু ঘটতে থাকে গ্রামের তিন ব্রাহ্মণ পরিবারে। শকুনি আর কুকুরদের অযাচিত আক্রমণে দিশেহারা গ্রামের মানুষজন। ঝড়েশ্বর কি পারবে এই অতিপ্রাকৃত আক্রমণ থেকে গ্রামবাসীদের উদ্ধার করতে?
ব্রহ্মরাক্ষসের মুখোমুখি ঝড়েশ্বর: ব্রাহ্মণ পুরুষ অপঘাতে মরলে হয় ব্রহ্মরাক্ষস। নিজের ছেলের অপঘাতে মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে কেশবের বাবা ইতিহাসের কোন চরিত্রকে ডেকে আনলেন ব্রহ্মরাক্ষস রূপে? সেই রাক্ষসের আক্রমণে গ্রামবাসীরা বিপর্যস্ত। ঝড়েশ্বর কীভাবে পুরাণের আশ্রয় নিয়ে রক্ষা করল সবাইকে তা জানতে গেলে এই গল্প পড়তে হবে ।
নাগরাজের ডেরায় সময়যাত্রী: গ্রামের মধ্যে হঠাৎ এক আলোর রেখা দেখা যায়। তারপরই অদৃশ্য হয়ে যায় একজন মানুষ। এদিকে ঝড়েশ্বর এক ভবিষ্যত্ সময় থেকে আগত মানুষের দেখা পায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে নাগরাজের মুখোমুখি হয় ঝড়েশ্বর। এরপর কী হল? এই গল্পে শুধু তন্ত্র নেই সঙ্গে আছে কল্পবিজ্ঞান এবং পুরাণের অদ্ভুত মিশ্রণ।”








Reviews
There are no reviews yet.