Additional information
| Weight | 0.5 kg |
|---|---|
| Dimensions | 21 × 18 cm |
| Author | |
| Binding | |
| Language | |
| Publisher | |
| Publishing Year |
Original price was: ₹250.₹188Current price is: ₹188.
Only 3 left in stock
| Weight | 0.5 kg |
|---|---|
| Dimensions | 21 × 18 cm |
| Author | |
| Binding | |
| Language | |
| Publisher | |
| Publishing Year |
Jayanta Mandal (verified owner) –
নিকটঅতীত আর নিকটবর্তমানের মাঝখানে সাঁকোর ওপর দাঁড়িয়ে….
আমাদের প্রবহমান জীবনপ্রানালীর পথের দুপাশে অজস্র অর্জন ফেলে চলে যেতে হয়, কিন্তু সব ফেলে যাওয়া যায় না, অদ্ভুত স্মৃতিময়তা আমাদের টেনে রাখতে চায়, রাখেও, এমন একটি মানুষ, যিনি পরিবর্তনশীল জগৎটিকে চিনেও, আজকের প্রকট বর্তমানে দাঁড়িয়ে কবিতার চেহারা,আঙ্গিক,শব্দ, চয়ন, পরিবেশন ভঙ্গি, চিত্রকল্প, শব্দে শব্দে বয়নপ্রণালী, সময়ের সাথে সাথে পাল্টে গেলেও, নিকটঅতীত আর নিকটবর্তমানের মাঝখানে একটি প্রগাঢ় সাঁকো রচনা করতে চান, এবং রচনাটি ধরে রাখতে চান, এই কঠিন বর্তমানের কাব্য জগতের উঠোনে এক নবোতম সংযোজন,এবং একটি
অপূর্ব দৃঢ সাহসী পদক্ষেপ, ”মঞ্জরী” নামের কাব্যগ্রন্থটি প্রথম উপহার,….
সরিয়ে দিনু, চরণধূলি তব, হৃদয় কাড়িয়া, সিঁদুর দিনু ভালে,, করেছিনু, কে হারিছে, হেরিতে চাহিনু ইত্যাদি শব্দ প্রয়োগ গত শতাব্দীর কাব্যে আমরা পেয়েছি, আমাদের নবীন কবি জয়ন্ত নিকটঅতীতের এই সব শব্দগুলি ব্যবহার করে আজকের বাংলার কাব্যভাষার একটি সাঁকো তৈরি করে দেখতে চান পাঠকের প্রতিক্রিয়া, অথচ জয়ন্তর তার দীর্ঘ পারিক্রমণ জুড়ে একে অপূর্ব অভিজ্ঞতায় পীঠের রুকস্যাকে জড়ো করেছেন মুখ মুখোশের কারসাজি, আত্মপ্রচারের তোষামদি লোকদেখানো খেলা, নতুন ধান্যে নবান্নের হার্দরিক গন্ধ গুঁড়ো চালের আল্পনার সনাতনী মাহাত্ব, শরতের আকাশে রঙে রঙে আগমনীর আগমনবার্তা, শিশিরভেজা ঘাসে ঘাসে ভিজে যাওয়া পায়ের গল্প, ভারতে সেই অসহায় অবহেলিত গরীবগুর্বদের,দেখে, জয়ন্ত চিৎকার করে বলতে চান, দেশ নেই, ভূমি নেই, রয়েছে অনাথের ক্রন্দন, বিষবাষ্পএ আক্রান্ত কিশলয়,
গ্রামবাংলার সেই চিত্রাবলীও জয়ন্তকে টানে, আঁকাবাঁকা পথ কালো দীঘির জল, ছায়াছায়া মেঘলি আকাশ,
একটি আদর্শ পৃথিবীর দেখার কান্না জয়ন্তকে তাড়িয়ে বেড়ায়, স্বপ্নের দিন বোনা কবে শেষ হবে, পলাশ শিমূলের দিনেও বসন্তের ছোঁয়া কই, সুদূর সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের যন্ত্রণায় কাতর জয়ন্তকে চঞ্চল করে তোলে, সার্বিক মুক্তির জন্য চেয়ে থাকেন ২২ শে এপ্রিলের দিকে, জয়ন্ত দেখে নেন রাজনীতির যাঁতাকলে দুর্গতি অনেক কথা বলে, এই অন্ধঅন্ধকারের সভ্যতায় জয়ন্ত মা দুর্গার অসুর নিধনের প্রার্থনায় বলতে চান, ওঁ দেবী, রক্ষয়, রক্ষা করো….
এভাবেই মঞ্জরীর আত্মপ্রকাশ, তবে, এই মুহূর্তে জয়ন্ত কতোখানি কবি বলা যাবে না, সে ভার পাঠকদের হাতে ছেড়ে দেয়া ভালো, তবে আমরা যারা বাংলার মানুষ তারা প্রায় সবাই নস্টালজিক, স্মৃতিচারণে বিশ্বাস করি, স্মৃতি শুধু বেদনা নয়, অনেক মণি মানিক্যও এনে দেয়, সে ক্ষেত্রে, জয়ন্তর সাঁকো অভিনব, এই নবীন কবি আরও লিখুক, পাঠকের কাছে পৌঁছে যাক,
জয় হোক মানুষের, জয় হোক কবিদের, জয় হোক কবিতার
আনন্দময়তায়,
অরুণ কুমার চক্রবর্তী
( “লাল পাহাড়ির দেশে যা, রাঙা মাটির দেশে যা ” এর স্রষ্টা ও জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত কবি)
Poet Arun Kr Chakraborty (verified owner) –
মঞ্জরী কাব্যগ্রন্থ প্রসঙ্গে কবি অরুণ কুমার চক্রবর্তী:
নিকটঅতীত আর নিকটবর্তমানের মাঝখানে সাঁকোর ওপর দাঁড়িয়ে….
এই কঠিন বর্তমানের কাব্য জগতের উঠোনে এক নবোতম সংযোজন,এবং একটি
অপূর্ব দৃঢ সাহসী পদক্ষেপ, ”মঞ্জরী” নামের কাব্যগ্রন্থটি প্রথম উপহার,….
সরিয়ে দিনু, চরণধূলি তব, হৃদয় কাড়িয়া, সিঁদুর দিনু ভালে,, করেছিনু, কে হারিছে, হেরিতে চাহিনু ইত্যাদি শব্দ প্রয়োগ গত শতাব্দীর কাব্যে আমরা পেয়েছি, আমাদের নবীন কবি জয়ন্ত নিকটঅতীতের এই সব শব্দগুলি ব্যবহার করে আজকের বাংলার কাব্যভাষার একটি সাঁকো তৈরি করে দেখতে চান পাঠকের প্রতিক্রিয়া, অথচ জয়ন্তর তার দীর্ঘ পারিক্রমণ জুড়ে একে অপূর্ব অভিজ্ঞতায় পীঠের রুকস্যাকে জড়ো করেছেন মুখ মুখোশের কারসাজি, আত্মপ্রচারের তোষামদি লোকদেখানো খেলা, নতুন ধান্যে নবান্নের হার্দরিক গন্ধ গুঁড়ো চালের আল্পনার সনাতনী মাহাত্ব, শরতের আকাশে রঙে রঙে আগমনীর আগমনবার্তা, শিশিরভেজা ঘাসে ঘাসে ভিজে যাওয়া পায়ের গল্প, ভারতে সেই অসহায় অবহেলিত গরীবগুর্বদের,দেখে, জয়ন্ত চিৎকার করে বলতে চান, দেশ নেই, ভূমি নেই, রয়েছে অনাথের ক্রন্দন, বিষবাষ্পএ আক্রান্ত কিশলয়,
গ্রামবাংলার সেই চিত্রাবলীও জয়ন্তকে টানে, আঁকাবাঁকা পথ কালো দীঘির জল, ছায়াছায়া মেঘলি আকাশ,
একটি আদর্শ পৃথিবীর দেখার কান্না জয়ন্তকে তাড়িয়ে বেড়ায়, স্বপ্নের দিন বোনা কবে শেষ হবে, পলাশ শিমূলের দিনেও বসন্তের ছোঁয়া কই, সুদূর সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের যন্ত্রণায় কাতর জয়ন্তকে চঞ্চল করে তোলে, সার্বিক মুক্তির জন্য চেয়ে থাকেন ২২ শে এপ্রিলের দিকে, জয়ন্ত দেখে নেন রাজনীতির যাঁতাকলে দুর্গতি অনেক কথা বলে, এই অন্ধঅন্ধকারের সভ্যতায় জয়ন্ত মা দুর্গার অসুর নিধনের প্রার্থনায় বলতে চান, ওঁ দেবী, রক্ষয়, রক্ষা করো….
এভাবেই মঞ্জরীর আত্মপ্রকাশ, তবে, এই মুহূর্তে জয়ন্ত কতোখানি কবি বলা যাবে না, সে ভার পাঠকদের হাতে ছেড়ে দেয়া ভালো, তবে আমরা যারা বাংলার মানুষ তারা প্রায় সবাই নস্টালজিক, স্মৃতিচারণে বিশ্বাস করি, স্মৃতি শুধু বেদনা নয়, অনেক মণি মানিক্যও এনে দেয়, সে ক্ষেত্রে, জয়ন্তর সাঁকো অভিনব, এই নবীন কবি আরও লিখুক, পাঠকের কাছে পৌঁছে যাক,
জয় হোক মানুষের, জয় হোক কবিদের, জয় হোক কবিতার
আনন্দময়তায়,
অরুণ কুমার চক্রবর্তী
( “লাল পাহাড়ির দেশে যা, রাঙা মাটির দেশে যা ” এর স্রষ্টা ও জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত কবি)